Monday, February 18, 2019

3 things we learned from Facebook's AI chief about the future of artificial intelligence


In recent years, many of the worlds biggest tech companies — from Google to Facebook and Microsoft — have been fixated on artificial intelligence and how it can be incorporated into nearly all of their products. For example, Google even rebranded its Google Research Division as Google AI ahead of its developers conference this year, during which AI was featured front and center. Mark Zuckerberg also explained how Facebook is using AI in an attempt to crack down on hate speech on its platform during its F8 conference in May.
The AI market is also booming as companies continue to invest in cognitive software capabilities. The International Data Corporationindicates global spending on AI systems is expected to hit $77.6 billion in 2022, more than tripling the $24 billion forecast for 2018.
But the industry still has a long way to go, and much of its progress could depend on whether academics and industry players will succeed in finding a way to empower computer algorithms with human-like learning capabilities. Systems powered by artificial intelligence, whether you're referring to the algorithms Facebook uses to detect inappropriate content or the virtual assistants made by Google or Amazon that power the smart speakers in your home, still can't infer context like humans can. Such an advancement could be critical for Facebook as it ramps up its efforts to detect online bullying and identify content related to terrorism on its platforms.
"There are cases that are very obvious, and AI can be used to filter those out or at least flag for moderators to decide," Yann LeCun, chief AI scientist for Facebook AI Research, said in a recent interview with Business Insider. "But there are a large number of cases where something is hate speech but there's no easy way to detect this unless you have broader context ... For that, the current AI tech is just not there yet."

বাজেটে অনলাইন ব্যবসায় সুবিধা চায় ই-ক্যাব


জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা-২০১৮ কার্যকরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রকাশিত গেজেট দেশের ব্যবসা ক্ষেত্রের ডিজিটাল রূপান্তরকে আরও একধাপ এগিয়ে নেবে। পাশাপাশি ই-কমার্স শিল্পপ্রতিষ্ঠায় 'মাইলফলক' হিসেবে মূল্যায়ন করেছে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)। একই সঙ্গে ই-কমার্সকে জনপ্রিয় করার স্বার্থে আগামী বাজেটে কর অব্যাহতি চায় সংগঠনটি। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি এ দাবি জানায়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনটির সভাপতি শমী কায়সার বলেন, ক্রেতারা যেন অনলাইনমুখী হতে পারেন এবং অনলাইনে কেনাকাটায় স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন সেজন্য বাস্তবে দোকান থাকলেও কোনো প্রতিষ্ঠান যদি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে পণ্য বিক্রি করে থাকেন, তবে তাদেরও যেন কর অবকাশ ?সুবিধার অওতায় নিয়ে আসা হয়। তিনি আরও বলেন, অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে ই-ক্যাব প্রথমে ই-কমার্স নীতিমালার খসড়া তৈরি করে সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগে জমা দিয়েছিল। তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ শেষে নীতিমালাটি চূড়ান্ত করা হয়। এরপর সম্প্রতি এটি বাস্তবায়নের নিরিখে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডিটিও সেল গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে। যেহেতু এই খাতটির প্রযুক্তি ও বাণিজ্য দুইখাতেই সমান গুরুত্ব রয়েছে। সে জন্য আমরা আশা করছি, এখানে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কীভাবে কতটুকু দায়িত্ব বাস্তবায়ন করবে অচিরেই তা সুস্পষ্ট করা হবে। গেজেট আকারে প্রকাশিত ই-কমার্স নীতিমালা-২০১৮ দেশীয় উদ্যোক্তাদের 'সুরক্ষাকবজ' উলেস্নখ করে শমী কায়সার বলেন, গেজেটে বাংলাদেশি কোম্পানি ও অনুরূপ বিদেশি কোম্পানি সমতাভিত্তিক মালিকানা ব্যবস্থায় বিদেশি বিনিয়োগ নির্দেশনা রয়েছে। এটি দেশের ই-কমার্স খাতকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। সংবাদ সম্মেলনে ই-ক্যাব সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াহেদ তমাল বাজেটে ই-ক্যাবের প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। তিনি 'অনলাইন পণ্য ক্রয়' এর বর্তমান ব্যাখ্যা পরিবর্তন করে 'অনলাইন পণ্য বিক্রয়'র ক্ষেত্রে গেজেটের সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্তের জোর দাবি জানান। আয়কর ব্যবস্থা সংশোধনের প্রস্তাব দিয়ে আব্দুল ওয়াহেদ বলেন, যেসব কোম্পানি শুধু ই-কমার্স কোম্পানি হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করছে এবং লোকসান পর্যায়ে আছে তাদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম করহার মোট আয়ের ০.১ শতাংশ এবং যারা পরিচালনাগত ?মুনাফা করছে তাদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ০.৩ শতাংশ করা হলে উদ্যোক্তারা এই খাতে আগ্রহী হয়ে উঠবেন। কার্যত তখনই এই নীতিমালার সুফল পাওয়া যাবে। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে ই-ক্যাব এর পরিচালক নাসিমা আক্তার নিসা, আশিষ চক্রবর্তী, মো. শাহাব উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক আব্দুল হক, অনলাইন মার্কেট পেস্নস দারাজ এর স্ট্রাটেজি পস্নানিংয়ের প্রধান এহতেশাম হোসাইনসহ দেশি ই-কমার্স উদ্যোক্তা এবং ই-ক্যাব কার্যনির্বাহী সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পাকিস্তানিদের মন জিতে নিলেন সৌদি যুবরাজ




আক্ষরিক অর্থেই পাকিস্তানিদের মন জিতে নিলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। কারণ কথা ছিল পাকিস্তানের সঙ্গে সৌদি যুবরাজ ১০ বিলিয়ন বা এক হাজার কোটি মার্কিন ডলার চুক্তি করবেন। কিন্তু সবাইকে অবাক করে ২০ বিলিয়ন বা দুই হাজার কোটি ডলারের বিনিয়োগ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে সৌদি আরব। এর মাধ্যমে পাকিস্তানের দুর্বল অর্থনীতি চাঙ্গা হবে বলে আশা করছে ইমরান খানের সরকার। এর পাশাপাশি সৌদি আরবে আটক তিন হাজার কারাবন্দির মধ্যে দুই হাজার বন্দির মুক্তি দেয়ার ঘোষণায় সাধারণ পাকিস্তানিরাও বেজায় খুশি। রোববার দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে পাকিস্তান পৌঁছান সৌদি যুবরাজ সালমান। এরপর রাতেই দুই দেশের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। পাকিস্তানের অর্থনীতি বর্তমানে বেশ নাজুক। এই অর্থনীতিকে সবল করতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সমর্থন খুঁজছে দেশটির সরকার। সংবাদসূত্র : বিবিসি, রয়টার্স

রোববার সম্পাদনকৃত চুক্তির মধ্যে আট বিলিয়ন ডলার বন্দরনগরী গোয়াদরে তেল পরিশোধনাগার স্থাপনে বিনিয়োগ করা হবে। এছাড়া, বিদু্যৎ, পেট্রকেমিক্যাল ও খনি খাতেও বিনিয়োগের ব্যাপারে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে দুই দেশ।

সৌদি যুবরাজ বলেন, 'এবার অনেক বড় চুক্তি হলো। তবে এটি কেবল প্রথম ধাপ। এটি প্রতি মাসে ও প্রতি বছর বাড়বে। উভয় দেশই এ থেকে লাভবান হবে।' তিনি আরও বলেন, ২০ বিলিয়ন ডলার অঙ্কটির মাধ্যমে শুধুমাত্র একটি অথনৈতিক সম্পর্কের শুরু প্রতিফলিত হয়েছে, এর মধ্য দিয়ে সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক মিত্রতা আরও গভীর হবে। তার মতে, 'আমরা পাকিস্তানের ভাইয়ের মতো, বন্ধুর মতো। ভালো সময় থেকে শুরু করে কঠিন সময়েও আমরা এক সঙ্গে চলেছি এবং চলবো।'

সেখানে যুবরাজ নিজের দেশের বিষয়ে তার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন। তেলনির্ভরতা কমিয়ে সৌদি আরবের অর্থনীতিকে বহুমুখীকরণের ক্ষেত্রে তিনি পর্যটন শিল্প বিকাশের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। যুবরাজের ভাষ্য, সৌদি আরবের লক্ষ্য ১০ কোটি পর্যটক পাওয়া। ২০৩০ সালের মধ্যে না হলেও ক্রমেই সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর বিষয়ে তিনি আশাবাদী।

সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে, দুই দেশের মধ্যে হওয়া সমঝোতা চুক্তিগুলোর অধিকাংশই জ্বালানি প্রকল্পগুলোকে ঘিরে। এর মধ্যে উপকূলীয় শহর গয়েদরে একটি তেল শোধনাগার ও পেট্রকেমিক্যাল কমপেস্নক্স প্রকল্পের জন্য ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হবে। এর পাশাপাশি খনি ও কৃষিতে বিনিয়োগের বিষয়েও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

রোববার সৌদি যুবরাজকে বহনকারী উড়োজাহাজ পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশের পর দেশটির বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমানগুলো ওই উড়োজাহাজটিকে পাহারা দিয়ে নিয়ে আসে। পাকিস্তানের সেনাশহর রাওয়ালপিন্ডির একটি সামরিক বিমানবন্দরে যুবরাজকে বহনকারী বিমানটি অবতরণ করে। বিমানবন্দরেই লাল গালিচা সংবর্ধনা দিয়ে তাকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান ও সেনাপ্রধান কামার জাভেদ বাজওয়া। সেখান থেকে নিজে গাড়ি চালিয়ে 'ক্রাউন প্রিন্স' সালমানকে রাজধানী ইসলামাবাদে নিয়ে যান প্রধানমন্ত্রী ইমরান। 

\হআমাদের দুঃসময়ে যেভাবে আপনারা আমাদের সাহায্য করলেন, তার জন্য আমি আপনাদের ধন্যবাদ দিচ্ছি।' সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সৌদি সহায়তাই সংকটে থাকা পাকিস্তানের অর্থনীতিকে ধরে রেখেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সঙ্গে 'বেইল আউট' নিয়ে ইসলামাবাদের মধ্যস্থতা চলছে। এর মধ্যে রিয়াদের ৬০০ কোটি ডলার ঋণ ইসলামাবাদকে খানিকটা স্বস্তি দেয়। আর ২০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ চুক্তি পাকিস্তানকে চিন্তমুক্ত করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এদিকে, দুইদিনের পাকিস্তান সফরের কথা থাকলেও মাত্র একদিন থেকে সোমবার ভারত সফরে গেছেন সৌদি যুবরাজ। তার 'ঐতিহাসিক এশিয়া সফরের' দ্বিতীয় দেশ গতকাল দিলিস্নর পৌঁছান। তার ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া যাওয়ার কথা থাকলেও শনিবার কোনো কারণ না দেখিয়েই তা বাতিল করা হয়। ভারত থেকে মোহাম্মদ বিন সালমান যাবেন চীনে। সেখানে দুই দিনের সফর শেষে দেশে ফিরবেন তিনি।

ট্রাম্পকে অপসারণে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আবারও আলোচনায়



দুই বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অপসারণের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে। অভিযোগ ছিল, ২০১৭ সালে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রড রোসেনস্টেইন সংবিধানের ২৫তম ধারা অনুসরণ করে ট্রাম্পকে কীভাবে অপসারণ করা যায়, তা নিয়ে সলাপরামর্শ করেছিলেন। রোসেনস্টেইন সেই অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করেছেন। গতকাল রোববার গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (এফবিআই) সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান এন্ড্রু ম্যাক কাবে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। তাতেই আবার নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সিনেটে বিচার বিভাগীয় কমিটির প্রধান রিপাবলিকান নেতা লিন্ডসে গ্রাহাম। তিনি শুনানির আয়োজন করবেন বলে জানান। 
আজ সোমবার বিবিসি ও সিএনএনের খবরে বলা হয়, সিবিএসের ‘সিক্সটি মিনিট’ নামের এক অনুষ্ঠানে রড রোসেনস্টেইনের ‘ষড়যন্ত্রের’ প্রসঙ্গে কথা বলেন ম্যাক কাবে। তিনি বলেন, রড রোসেনস্টেইন ২৫ ধারার বিষয়টি তুলেছিলেন এবং আমার সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন। রোসেনস্টেইন বলেছিলেন অপসারণের উদ্যোগ নিলে মন্ত্রিপরিষদের কয়েকজনের কাছ থেকে সমর্থন পাওয়া যেতে পারে। তিনি ট্রাম্পের সামর্থ্য ও অভিপ্রায় নিয়ে বেশ বিচলিত ছিলেন।

গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে রোসেনস্টেইন তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন।ম্যাক কাবে আরও বলেন, রোসেনস্টেইন বৈঠকে ট্রাম্পের কথাবার্তা রেকর্ডের জন্য নিজের পোশাকে ইলেকট্রনিক যন্ত্র রাখার কথাও ভেবেছিলেন।

গত বছরের মার্চ মাসে ম্যাক কাবেকে এফবিআইয়ের উপপরিচালকের পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়।
সিবিএসের স্কট পেলেকে দেওয়া ম্যাক কাবের সাক্ষাৎকারটি স্থানীয় সময় গতকাল প্রচার করা হয়। ম্যাক বলেন, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারে রাশিয়ার সঙ্গে যোগসাজশের তদন্ত নিয়ে ট্রাম্প সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে অবমাননাকর মন্তব্য করে যাচ্ছিলেন। এটাকে ‘জনসমক্ষে তদন্তকে খাটো’ করার চেষ্টা হিসেবে দেখা হয়েছিল। প্রেসিডেন্টের সেসব মন্তব্য নিয়ে কর্মকর্তারা খুব বিচলিত ছিলেন। কর্মকর্তারা জেমস কোমিকে বরখাস্ত করার বিষয়েও বিব্রত হন।
সাক্ষাৎকারটি প্রচারের পর গতকালই রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের সাক্ষাৎকার নেয় সিবিএস। সাক্ষাৎকারে গ্রাহাম বলেন, তিনি বিস্মিত হয়েছেন যে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যতম প্রধান কর্মকর্তা এ ধরনের কথাবার্তা বলেছেন।
গ্রাহাম বলেন, ম্যাক কাবের কথা যদি সত্যি হয় তাহলে এ দেশের প্রত্যেকের তা জানা প্রয়োজন। ‘কে সত্য বলছে’ জানতে তিনি শুনানি আয়োজনের অঙ্গীকার করেন।
এফবিআইয়ের উপপরিচালক পদ থেকে বরখাস্ত করা হয় এন্ড্রু ম্যাক কাবেকে। ছবি: রয়টার্সএফবিআইয়ের উপপরিচালক পদ থেকে বরখাস্ত করা হয় এন্ড্রু ম্যাক কাবেকে। ছবি: রয়টার্সযুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২৫ ধারায় প্রেসিডেন্টকে অযোগ্য মনে হলে অপসারণের সুযোগ রাখা হয়েছে। ওই ধারায় বলা হয়েছে, কোনো কারণে প্রেসিডেন্টকে এ পদের জন্য অনুপযুক্ত মনে করা হলে তাঁকে অপসারণ করা যাবে। তাঁর দায়িত্ব তখন হস্তান্তর করা হবে ভাইস প্রেসিডেন্টের কাছে। ট্রাম্পের ক্ষেত্রে এ ধারা প্রয়োগ করতে হলে তাঁর ১৫ সদস্যের মন্ত্রিপরিষদের আটজন, ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং কংগ্রেসের দুই-তৃতীয়াংশের অনুমোদন লাগবে। 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের ক্ষেত্রে আগে এ ধারা ব্যবহার হয়েছিল। রোনাল্ড রিগ্যান ও জর্জ ডব্লিউ বুশ তাঁদের প্রেসিডেন্ট পদ সাময়িকভাবে হস্তান্তরে এই ধারা ব্যবহার করেছিলেন।
গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে বিবিসির খবরে বলা হয়েছিল, ২০১৬ সালে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারে রাশিয়ার গোপন আঁতাতের অভিযোগ তদন্ত করছেন রোসেনস্টেইন। প্রতিবেদনটি এফবিআইয়ের সাবেক পরিচালক এন্ড্রু ম্যাক কাবের গোপন নথির ভিত্তিতে করা হয়েছে। অনেকের মতে, রোসেনস্টেইন ও রাশিয়াবিষয়ক তদন্তের বিশেষ কৌঁসুলি রবার্ট ম্যুলারকে ছোট করতেই এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। রাশিয়ার বিষয়টি তদন্তের জন্য ম্যুলারকে বিশেষ কাউন্সেল হিসেবে নিয়োগ দেন রোসেনস্টেইন। ম্যুলারের তদন্ত দিনে দিনে হোয়াইট হাউস ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
মার্কিন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রড রোসেনস্টেইন। ছবি: এএফপিমার্কিন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রড রোসেনস্টেইন। ছবি: এএফপি
ওই সময় বিবিসি প্রকাশিত খবরের ওপর একটি টাইমলাইন (এক নজরে) প্রকাশ করে। এখানে তা তুলে ধরা হলো:
২০১৭ সালের ৯ মে: ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রড রোসেনস্টেইন অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে হিলারি ক্লিনটনের বিষয়ে তৎকালীন এফবিআই পরিচালক জেমস কোমির তদন্তসংক্রান্ত তথ্য পেশ করেন। ওই সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোমিকে বরখাস্ত করেন এবং এন্ড্রু ম্যাক কাবে এফবিআইয়ের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন।
২০১৭ সালের ১১ মে: কোমির বরখাস্তের ব্যাপারে রোসেনস্টেইনের প্রধান ভূমিকা ছিল—এমন কথা ছড়ানোর পর তিনি পদত্যাগের হুমকি দিয়েছিলেন বলে অস্বীকার করেন। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস বলেছে, ওই সময়ে ম্যাক কাবের নথি থেকে জানা যায়, রোসেনস্টেইন খুব বিষণ্ন ছিলেন এবং কোমিকে এফবিআইতে চাইছিলেন তিনি।
২০১৭ সালের ১৬ মে: রোসেনস্টেইন ম্যাক কাবেসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করেন এবং কোমিকে বরখাস্তে তাঁর ভূমিকা কী ছিল, তা ব্যাখ্যা করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পের ব্যাপারে হতাশা প্রকাশ করেছিলেন তিনি এবং হোয়াইট হাউস পরিদর্শনের সময় কর্মকর্তাদের গোপনে ট্রাম্পের কার্যকলাপ রেকর্ড করতে বলেন এবং সংবিধানের ২৫তম সংশোধনীর ধারাগুলো নিয়ে আলোচনা করেন, যাতে অযোগ্যতার জন্য ট্রাম্পকে অপসারণ করা যায়।
২০১৭ সালের ১৭ মে: রাশিয়ার ঘটনা তদন্তে রবার্ট ম্যুলারকে বিশেষ কাউন্সেল হিসেবে নিয়োগ দেন রোসেনস্টেইন।
২০১৮ সালের ১৭ মার্চ: অবসরের দুই দিন আগে ম্যাক কাবেকে বরখাস্ত করেন ট্রাম্প।
২০১৮ সালের ৩০ মে: মার্কিন গণমাধ্যম প্রচার করে, ম্যাক কাবে কোমির বরখাস্তের বিষয়ে অত্যন্ত গোপনীয় তথ্য হস্তান্তর করেছেন। এতে রোসেনস্টেইন ও ম্যুলারের সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
২০১৮ সালের ২৬ জুলাই: ম্যাক কাবের নথিগুলো প্রকাশ করতে বিচার বিভাগ অস্বীকৃতি জানানোর পর হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভের কনজারভেটিভরা তথ্য পেতে বাধা পাওয়ার অভিযোগ তুলে রোসেনস্টেইনকে অপসারণের দাবি তোলেন।

ক্ষমতায় গেলে হিন্দু শরণার্থীদের জন্য আইন হবে: অমিত শাহ


ক্ষমতায় গেলে ফের হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্বের বিষয়ে ভাববে বিজেপি—দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের এই মন্তব্যের জেরে ফের আসামে শুরু হয়েছে বিজেপিবিরোধী বিক্ষোভ।
সামনেই ভারতের লোকসভা নির্বাচন। দলের সংগঠনকে আরও মজবুত করতে দুই দিনের আসাম সফরে যান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। গতকাল রোববার রাজ্যের লখিমপুরে জনসভায় অংশ নেন বিজেপির সভাপতি। সেখানে তিনি বলেন, বিজেপি আবার ক্ষমতায় এলে হিন্দু শরণার্থীদের জন্য আইন তৈরি করা হবে।

বিজেপি সভাপতি অবশ্য এখনো আশাবাদী, তাঁরাই ফের ক্ষমতায় আসছেন। আর ক্ষমতায় এলে আইন সংশোধন করবে নতুন সরকার। গতকাল আসামে এই প্রতিশ্রুতি দেন অমিত শাহ।
এর আগে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ ও পারসি শরণার্থীদের শর্ত সাপেক্ষে ভারতীয় নাগরিকত্ব দিতে চেয়েছিল বিজেপি সরকার। প্রবল বিরোধিতার মধ্যেই ভারতের জাতীয় সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায় প্রয়োজনীয় বিলটি পাসও করায় সরকার। কিন্তু সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় বিলটি পেশই করা হয়নি। ভারতের সাধারণ নির্বাচনের আগে এটাই ছিল সংসদের শেষ অধিবেশন। তাই ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী বিলটি বাতিল হয়ে যায়।

আসামে গিয়ে বিজেপির সভাপতি উসকে দিলেন নাগরিকত্ব বিতর্ক। ছবি: সংগৃহীতআসামে গিয়ে বিজেপির সভাপতি উসকে দিলেন নাগরিকত্ব বিতর্ক। ছবি: সংগৃহীতঅমিত শাহের এই মন্তব্যের পরই শুরু হয় বিতর্ক। আসামের যুব ছাত্র পরিষদ লখিমপুরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। পোড়ানো হয় অমিত শাহের কুশপুত্তলিকা।
অবিজেপি আঞ্চলিক দলগুলোর জোটও জানায়, কোনো অবস্থাতেই তারা নাগরিকত্ব সংশোধনীর চেষ্টা মানবে না। অসম গণপরিষদের সভাপতি অতুল বরা সাংবাদিকদের বলেন, ‘পূর্ণ শক্তি দিয়ে আইন সংশোধনের কাজ রুখে দেবেন এখানকার ভূমিপুত্ররা।’
গত বছর নাগরিকত্ব সংশোধনীর প্রতিবাদে উত্তর–পূর্বাঞ্চলজুড়ে শুরু হয় বিক্ষোভ। বিজেপির শরিক দল অগপ জোটও মন্ত্রিসভা ছেড়ে বেরিয়ে আসে। এমনকি ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার প্রকাশ্যে হুমকি দিতে থাকে কয়েকটি সংগঠন। তবু বিজেপি এখনো নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের পক্ষে। দলের বর্ষীয়ান নেতা ও আসামের অর্থমন্ত্রী হীমন্ত বিশ্বশর্মার বলেন, ‘আসামকে দ্বিতীয় কাশ্মীর বানাতে দেব না।’

এবার পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের ছবি সরাল পাঞ্জাব




কাশ্মীরে হামলার পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত রেখেছে ভারত। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে গতকাল মুম্বাইয়ের ক্রিকেট ক্লাব অব ইন্ডিয়ায় (সিসিআই) সাজানো ইমরান খানের ছবি ঢেকে দেওয়ার পর আজ মোহালি স্টেডিয়াম থেকে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের ছবি সরিয়ে দিয়েছে পাঞ্জাব ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (পিসিএ)।
ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা বাড়ছেই। কাশ্মীরে হামলার ঘটনায় পাকিস্তানবিরোধী প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে ভারত। গোটা দেশের সঙ্গে সেই প্রতিবাদে সুর মিলিয়েছে দেশটির ক্রিকেটাঙ্গনও। ক্ষোভ প্রকাশ করতে মুম্বাইয়ের ক্রিকেট ক্লাব অব ইন্ডিয়া (সিসিআই) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ইমরান খানের ছবি ঢেকে দিয়েছিল। আর একই পথে পা বাড়িয়েছে পাঞ্জাব ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনও। নিজেদের প্রধান কার্যালয় মোহালি স্টেডিয়াম থেকে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের ছবি সরিয়ে দিয়েছে তারা।
মোহালি স্টেডিয়ামের অভ্যর্থনাকক্ষ, লং রুম এবং ‘হল অফ ফেম’ এলাকা মিলিয়ে মোট ১৫ জন পাকিস্তানি ক্রিকেটারের ছবি সাজিয়ে রাখা ছিল। সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। পাঞ্জাব ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (পিসিএ) কোষাধ্যক্ষ অজয় ত্যাগী জানিয়েছেন, যে ১৫টি ছবি সরানো হয়েছে, তার মধ্যে পাকিস্তানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ছবিও রয়েছে। সরানো হয়েছে শহীদ আফ্রিদি, জাভেদ মিয়াঁদাদ, ওয়াসিম আকরামের ছবিও।
কাশ্মীরের ঘটনার প্রতিবাদস্বরূপ এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ত্যাগী, ‘বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের ছবি সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় নিহত জওয়ানদের পরিবারের পাশে আছি আমরা। এ কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশজুড়ে যে প্রতিবাদের জোয়ার উঠেছে, তার সঙ্গে সম্মতি প্রকাশ করছি আমরা।’
এদিকে আসন্ন বিশ্বকাপে অনুষ্ঠিতব্য ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ যাতে বাতিল করা হয়, সে ব্যাপারেও দাবি উঠেছে। ইমরান খানের ছবি ঢেকে দেওয়ার পর সিসিআইয়ের সচিব সুরেশ বাফনা এই দাবি তুলেছেন। এই ন্যক্কারজনক জঙ্গি হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সঙ্গে ম্যাচ খেলাই নাকি উচিত নয় ভারতের, ‘আপাতত ইমরান খানের ছবিকে আমরা ঢেকে দিয়েছি। ভবিষ্যতে সেই ছবি সরিয়ে দেওয়া হবে কি না, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য দ্রুত আরও একটি বৈঠক ডাকা হবে। হতে পারে সিসিআই ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান। কিন্তু দেশের স্বার্থের চেয়ে খেলাধুলা অবশ্যই বড় নয়।’
এ ছাড়া, পুলওয়ামার ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে পাকিস্তান প্রিমিয়ার লিগ সম্প্রচারের দায়িত্ব থেকে সরে এসেছে আইএমজি-রিলায়েন্স গ্রুপ। বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন চ্যানেলে পিএসএল সম্প্রচারিত হবে ‘আইএমজি-রিলায়েন্স’ এর সহায়তায়, সেই সম্প্রচার করার জন্য জনশক্তি ও কারিগরি সহায়তাও দেবে তারা, এমনটাই কথা ছিল।

ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়া খালি হাতে ফিরল না কেউ

বিখ্যাত জার্মান অভিনেতা ব্রুন গান্সের মৃত্যু আর পরিচালক ডিটার কশ্লিকের বিদায়—এই দুইয়ের মধ্য দিয়ে বেদনাভারাক্রান্তভাবে শুরু হয়েছিল ৬১তম বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। তবে সমাপনী দিনে পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে সেই বেদনা ঘুচে যায়। সবাইকে অবাক করে দিয়ে এ বছর শ্রেষ্ঠ ছবির পুরস্কার, অর্থাৎ ‘গোল্ডেন বিয়ার’ জিতে নেয় ফ্রান্স-জার্মানির যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ইসরায়েলি পরিচালক নাভাদ লাপিদের ছবি সিননুমস
পুরো উৎসবের সময়টায় গোল্ডেন বিয়ারজয়ী সিননুমস নিয়ে কোনো রা শোনা যায়নি। যে ছবিটির ব্যাপারে অনেক আশাবাদী ছিলেন উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা, সেটি চীনের পরিচালক ওয়াং জিয়াও শুয়াইয়ের তিন ঘণ্টা ব্যাপ্তির ছবি সো লং মাই সান। এর ভাগ্যে শ্রেষ্ঠ ছবির পুরস্কার না জুটলেও এর দুই মূল অভিনয়শিল্পী ওয়াং জিংচুন আর ইওং মেই পেয়েছেন একই সঙ্গে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা এবং শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার। গল্পের এই দম্পতির একমাত্র শিশুসন্তান লেকের পানিতে ডুবে মারা যায়। তারপর তিন দশকের মতো তাদের দীর্ঘ যাপিত জীবনের চলচ্চিত্রায়ণের মধ্যে উঠে আসে আধুনিক চীনের কঠিন জীবন আর এক সন্তান নীতির ফলে ঘটে চলা মানবিক বিপর্যয়।

বার্লিন উৎসবের অনেক দিনের পরিচিত মুখ এবং আন্তর্জাতিকভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত ফরাসি নির্মাতা ফ্রাঁসোয়া ওজোন তাঁর নতুন ছবি বাই
 দ্য গ্রেস অব গড দিয়ে ‘বিগ প্রাইস অব দ্য জুরি’ জিতে নিয়েছেন।উৎসবে কিছু ছবি থাকে, যাদের ওপর অনেক সাধারণ দর্শক রেগে থাকেন। কারণ, এই ছবিগুলো গৎবাঁধা গল্প বলার ধার না ধেরে বিশেষ আঙ্গিকে চলচ্চিত্রের ভাষা আর বিষয়ের সঙ্গে নতুন করে বোঝাপড়ার চেষ্টা করে। জার্মান নারী নির্মাতা আঙ্গেলা শানেলেকের আই ওয়াজ অ্যাট হোম, বাট…ঠিক এ রকম একটা ছবি। এই ছবি দিয়েই শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসেবে ‘সিলভার বিয়ার’ জিতে নিয়েছেন আঙ্গেলা।

অন্যদিকে চলচ্চিত্রশিল্পে বিশেষ অবদানের জন্য ‘লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ হিসেবে সম্মানসূচক ‘গোল্ডেন বিয়ার’-এ ভূষিত হয়েছেন ফরাসি বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শারলট র‍্যামপ্লিং।